বিনোদন

অভিনেতা কে এস ফিরোজ আর নেই

আজ বুধবার ভোর ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেতা কে এস ফিরোজ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। নিউমোনিয়ায় তাঁর ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছিল।

কে এস ফিরোজ ১৯৬৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। মেজর হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ১৯৭৭ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন। তাঁর পুরো নাম খন্দকার শহীদ উদ্দিন ফিরোজ। তিনি ১৯৪৬ সালের ৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। বরিশালের উজিরপুরের মশাং গ্রামে তাঁদের আদি নিবাস হলেও ফিরোজের জন্ম ঢাকার লালবাগে। তাঁর বাবার নাম এ জে এম সাইদুর রহমান। তবে এলাকার মানুষ তাঁর বাবাকে উজির মিয়া নামেই চিনতেন। কে এস ফিরোজের মা রাবেয়া খাতুন। ফিরোজ ১৯৭৪ সালের ১ নভেম্বর বিয়ে করেন। তিনি স্ত্রী মাধবী ফিরোজ এবং তিন মেয়ে রেখে গেছেন।

নাট্যদল ‘থিয়েটার’–এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে অভিনয়ে কে এস ফিরোজের পথচলা শুরু। এই দলের হয়ে তিনি অভিনয় করেছেন ‘সাত ঘাটের কানাকড়ি’, ‘কিং লিয়ার’ ও ‘রাক্ষসী’ নাটকে।

সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলামের নাট্যরূপে কামাল উদ্দিন নীলুর নির্দেশনায় ‘কিং লিয়ার’ নাটকে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিলেন কে এস ফিরোজ। টিভিতে তিনি প্রথম অভিনয় করেন দিলারা জামানের স্বামী শফিউজ্জামানের রচনায় ও জামান আলী খানের প্রযোজনায় ‘দীপ তবুও জ্বলে’ নাটকে। এতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন ডলি ইব্রাহীম।

কে এস ফিরোজ প্রথম ‘লাওয়ারিশ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এরপর বহুদিন বিরতি নেন চলচ্চিত্র থেকে। আবু সাইয়ীদের ‘শঙ্খনাদ’, ‘বাঁশি’, মুরাদ পারভেজের ‘চন্দ্রগ্রহণ’ ও ‘বৃহন্নলা’তে অভিনয় করেন। টিভিতে তাঁর প্রথম আলোচিত নাটক জিয়া আনসারী প্রযোজিত ‘প্রতিশ্রুতি’।

কে এস ফিরোজের মৃত্যুতে গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, অভিনয় শিল্পী সংঘসহ বেশ কিছু সংগঠনের পক্ষে শোক প্রকাশ করা হয়েছে। শোক প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেকেই।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close